55 জন দেখেছেন
"ইসলাম ধর্ম" বিভাগে করেছেন (102 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (98 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সেরা উত্তর

আজান ও মুয়াজ্জিন মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত। আজানের জবাব যে দিবে সেও আল্লাহর কাছে প্রিয়।

আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহ.) আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান আনসারী মাযিনী (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবূ সায়ীদ খুদরী (রা.) তাকে বললেন, আমি দেখছি তুমি বকরি চরানো এবং বন-জঙ্গলকে ভালোবাস। তাই তুমি যখন বকরি চরাতে থাক, বা বন-জঙ্গলে থাক এবং নামাজের জন্য আজান দাও, তখন উচ্চকন্ঠে আজান দাও। কেননা, জিন, ইনসান বা যেকোনো বস্তুই যতদূর পর্যন্ত মুয়াজ্জিনের আওয়াজ শুনবে, সে কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। আবূ সায়ীদ (রা.) বলেন, একথা আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে শুনেছি। (বুখারী শরীফ- ইসলামিক ফাউন্ডেশন: ৫৮২)

আজানের জাবাব দেওয়াকে মহান আল্লাহ তায়ালা ওয়াজিব বা ফরজ করেননি। বস্তুত সাক্ষ্য দেওয়া সবারই কাজ নয়। অবিশ্বস্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয় না। যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে তার প্রিয় হতে হবে আর যিনি দেবেন তাকেও প্রিয় হতে হবে। যদি উভয়েই প্রিয় হয় তাহলে মহান আল্লাহপাকও তাদের সাক্ষ্য প্রিয় হিসেবে গ্রহণ করবেন। আর যদি প্রিয় না হয় তাহলে তাদের সাক্ষ্যও মহান আল্লাহপাকের দরবারে গ্রহণযোগ্য হবে না। যে ব্যক্তি নিয়মিত আজানের জবাব দিতে থাকবে সে ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বমহূর্তে হলেও গুনাহমুক্ত হবে এবং মৃত্যুর পর মহান আল্লাহপাক তার সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

সূত্রঃ ডেইলী বাংলাদেশ।

0 টি ভোট
করেছেন (482 পয়েন্ট)

আজানের জবাব দেওয়া,মানে মুয়াজ্জিন যখন আজান দেয়, তখন তার সাথে সাথে ওই বাক্য গুলি বলা। এখন সমাজে দেখা যায়, মুয়াজ্জিন যখন আজান দেয়, তখন আমরা যেকোনো কাজে যুক্ত থাকি, মুয়াজ্জিন আজান দেয়, এটা বুঝতে পারি, কিন্তু তার জবাব আমরা বেশিরভাগ মানুষই দেই না।

চলুন জেনে নেই, এই আজানের জবাব দেওয়ার সওয়াব কি? সুবহান আল্লাহ!

প্রথমে জানতে হবে, মুয়াজ্জিন যে আজান দেয়, তার সওয়াব কি? তার সওয়াব তো অনেক ভাই, কিয়ামতের দিন তার গর্দান থাকবে সবথেকে উঁচুতে, সবথেকে লম্বা গর্দান থাকবে, মর্যাদার কারণে এটা হবে।

হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ(স:) বলেছেন,মানুষ যদি আজানের সওয়াব দেওয়ার ব্যাপারে জানতো তাহলে তারা লটারি করতো আজান দেওয়ার জন্য।। …( সহীহ বুখারী)

মুয়াজ্জিনের সওয়াব হলো, তার আজান শুনে যত লোক নামাজ পড়তে আসবে, তাদের সমপরিমাণ সওয়াব বোনাস হিসেবে মুয়াজ্জিন কে দেওয়া। (সুবহান আল্লাহ)! এক অমূল্য সওয়াব।

হাদিসে এসেছে, সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ(স:) কে বলতেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ(স:) সমস্ত সওয়াব তো মুয়াজ্জিন ই নিয়ে নিল, আমরা তো এই বিরাট সওয়াব থেকে দুরে রয়ে গেলাম, আমরা কি করবো?

তখন রাসূলুল্লাহ(স:) বললেন, তোমরা তার মতো সওয়াব পেতে চাও? খুব সহজ পদ্ধতি, মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তাই বলো। মুয়াজ্জিনের সাথে সাথে তোমরাও একই কথা বলতে থাকো। তাহলে কি হবে , মুয়াজ্জিনের সমপরিমাণ সওয়াব তোমরাও পেয়ে যাবে।(সুবহান আল্লাহ) ।।।(সহীহ মুসলিম)

অর্থাৎ - মুয়াজ্জিনের আজান শুনে যদি ১০০ জন মানুষ নামাজ পড়তে আসে, তাহলে তাদের সমপরিমাণ সওয়াব মুয়াজ্জিন পাবে, আপনি যদি মুয়াজ্জিনের আজানের উত্তর দেন, তাহলে আপনিও এই সওয়াব পাবেন। কত বড় আমল । (সুবহান আল্লাহ)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
27 নভেম্বর "ইসলাম ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইমন (294 পয়েন্ট)
1 উত্তর
06 এপ্রিল "ইসলাম ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mdbelal (453 পয়েন্ট)

1,257 টি প্রশ্ন

1,209 টি উত্তর

161 টি মন্তব্য

323 জন সদস্য

ইপ্রশ্ন ডটকম হল মাতৃভাষায় সহজে সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন মাধ্যম। যেখানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের কৌতুহল মূলক অজানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর খুজে পাওয়ার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে, নির্বিশেষে সহজে সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলায় দৃড় অঙ্গীকার বদ্ধ।
1 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য 1 জন অতিথি
আজকের মোট ভিজিটর : 649 জন
গত কালকের মোট ভিজিটর : 1096 জন
মোট ভিজিটর : 25320 জন
...