38 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (11 পয়েন্ট)
বুকের বামে নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে পিন ফোটার মতো ব্যাথা হয়। চাপ ধরে থাকে। রাতে বেশি হয়। মেডিসিন ডাক্তার বলেছে Costocodritise. কোনো করতে দেয়নি (পরে আমি নিজে থেকে এক্সে করিয়েছিলাম)। ৪ মাস পরেও ভালো হয়নি। সমস্যা এক বছর এর বেশি সময় ধরে।  কারন বুঝতে পারলে জানান। আর পরামর্শ আশা করছি।

2 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (328 পয়েন্ট)

যেহেতু আমাদের হার্ট বুকের বাম পাশে তাই হার্টের ব্যথা বুকের বামপাশ কিংবা মাঝখান থেকে শুরু হয়ে ঘাড়, বাম বাহু বা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে। এই ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে, অনেকটা হাতির পা বুকে চাপ দিলে যেমনটা হয় ঠিক তেমনি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ভারী পাথর বুকের উপর রাখলে যেমনটা ফিল হয় অনেকটা সেরকম। এই ব্যথায় রোগী শুয়ে থাকলে কিংবা দাঁড়ানো অবস্থায় থাকলেও নিজেই নিজের হাতে বুকের বাম পাশটা চেপে ধরে বসে পড়েন।

এখন বলি কিছু হার্টের ব্যাথার ধরণ। হার্টের ব্যাথা অনেক কারনেই হতে পারে। হতে পারে আপনার হার্টের সমস্যা থেকে, হতে পারে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। আবার সব ধরনের ব্যাথাই যে হার্ট বা গ্যাস্ট্রিকের হবে সেটা কিন্তু বলা যাবে না। কিছু ব্যাথার ধরনের কথা বলে নেই। ভাল করে পরে নিন।

১। মাসলে খিঁচ ধরা

মাসলে খিঁচ ধরা আপনার মাসলে যদি ইনফ্লেমেশন তৈরি হয়, অর্থাৎ যদি আপনার মাসলে প্রদাহ বাঁ জ্বালা ভাব দেখা দেয় এবং যদি পাঁজরের চারদিকে টান অনুভব করেন, তাহলে একটা চিনচিনে ব্যথা হয়। কিন্তু যদি এই ব্যথা খানিক ক্ষণের মধ্যে না কমে আর আরও ছড়িয়ে যায়, তাহলে তা প্রবল বুকে ব্যথার জন্ম দেয়।

২। পাঁজরে আঘাত

আপনার পাঁজরে যদি গুরুতর কোনও সমস্যা হয়, যেমন ভেঙে যাওয়া বা ফ্র্যাকচার হওয়া, তাহলে তার থেকেও কিন্তু বুকে ব্যথা হয়। আপনার বুকে ব্যথা পাঁজরের কাছে যদি অসহ্য ভাবে হয়, তাহলে বুঝবেন আপনার পাঁজরে কোনও সমস্যা আছে।

৩। পেপটিক আলসার

পেপটিক আলসার, যা মূলত আমাদের পাকস্থলীতে হয়ে থাকে তার জন্য সরাসরি কোনও ব্যথা বুকে হয় না। কিন্তু বুকের কাছে একটা হাল্কা চাপ চাপ ভাব অনেক সময়ে হয়ে থাকে। সেটা খুবই অস্বস্তি দেয়। সেক্ষেত্রে অ্যান্টাসিড খেলেই এই ব্যথা কমে যায়।

৪। গ্যাসট্রোইসোফাজেল রিফ্লাক্স ডিসিজ

জি.ই.আর.ডি বা গ্যাসট্রোইসোফাজেল রিফ্লাক্স ডিসিজ তখনই হয় যখন আপনার পাকস্থলীর অপাচ্য বা অর্ধপাচ্য খাবার বিপরীত দিকে গিয়ে আপনার গলার কাছে আসে। আর এর ফলে আপনার বুকের কাছে অসহ্য জ্বালা তৈরি হয় আর মুখ টক হয়ে যায়।

৫। অ্যাস্থমা

এটি একটি খুবই কমন শ্বাসকষ্টের সমস্যা। আপনার চারদিকে আজকাল যে পরিমাণ ধুলো আর দূষণ তাতে শ্বাসের সমস্যা হবেই। কিন্তু যদি এটা বেশি মাত্রায় হয়, মানে শ্বাস নিতে খুবই সমস্যা হয়, তখন কিন্তু বুকে ব্যথা হয়। আর তার সঙ্গে হয় প্রবল কাশি।

৬। ফুসফুসে সমস্যা

ফুসফুসে সমস্যা যখন আপনার পাঁজর আর ফুসফুসের মধ্যে বাতাস কোনও কারণে জমাট বাঁধে তখন ফুসফুসের উপর খুবই চাপ সৃষ্টি হয়। আর তখনই ফুসফুস ঠিক করে কাজ করতে পারে না, শ্বাস নিতে সমস্যা হয় আর তখনই বুকে ব্যথা হয়। এই ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে, সঙ্গে বেশি মাত্রায় বুক ধড়পড় করতে পারে।

৭। কস্টোকনড্রাইটিস

আপনার পাঁজরের কার্টিলেজে যদি জ্বালা হয় তাহলে তাকে বলে কস্ট্রোকনড্রাইটিস। এর ফলেও কিন্তু বুকে ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা তখন আরও বাড়তে পারে যখন আপনি কোনও নির্দিষ্ট পজিশনে বসবেন বা শোবেন বা আপনি যখন শারীরিক কসরত করবেন।

৮। এসোফাজেল কনট্রাকসন ডিসঅর্ডার

আমাদের খাদ্যনালীতে কোনও কারণে সঙ্কোচন হলে তাকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলে এসোফাজেল কনট্রাকসন ডিসঅর্ডার। যদি কোনও কারণে এটি হয় তাহলে কিন্তু বুকে ব্যথার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

৯। এসোফাজেল হাইপারসেনসিটিভিটি

আপনার খাদ্যনালীর মধ্যে যে বাতাসের চাপ থাকে তাতে যদি কোনও তারতম্য হয় বা যদি অ্যাসিড ফর্ম করে, তাহলে কিন্তু ব্যথা হতে পারে। আর যেহেতু খাদ্যনালী বুকের কাছেই, তাই তার প্রভাব বুকেও পড়ে।

১০। হার্নিয়া

এই ধরণের হার্নিয়া তখনই হয় যখন আমাদের পাকস্থলীর খানিক অংশ উপরের দিকে উঠে হার্টের কাছে চলে আসে। এই ধরণের হার্নিয়ার কিন্তু কোনও উপসর্গ হয় না। যদি আমাদের খাওয়ার পর পাকস্থলীর উপরের অংশ হার্টের নিচের অংশের দিকে আসে তাহলে বুকে জ্বালা শুরু হয় আর বুক ব্যথাও করে।

১১. হাইপারথ্রপিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি

নানা রকম জেনেটিক কারণে যখন হার্টের দেওয়াল ভারী হয়ে আসে তখন কিন্তু এই রোগটি হয়। তখন হার্টের মধ্যে দিয়ে রক্ত চলাচলে খুবই সমস্যা হয়। হার্টের পেশিতে খুবই টান ধরে। আর তখনই খুব শ্বাসকষ্ট হয় আর বুকে অসহ্য ব্যথা হয়।

১২। টিউবারকিউলোসিস

টিউবারকিউলোসিস বা যক্ষ্মা তখনই হয় যখন এর ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে জমাট বাঁধে। আর তখন খুব কাশি হয়, রক্ত পড়তে থাকে মুখ দিয়ে আর বুকে ব্যথা হয়।

১৩. প্যানিক অ্যাটাক

এটা কিন্তু আচ্ছা আচ্ছা সাহসী লোকেদেরও অনেক সময়ে হয়ে থাকে। হঠাত করে যদি এমন কিছু দেখে ফেলে কেউ যা ভয় ধরিয়ে দেয় বা কিছু মনে পড়ে ভয়ের, তাহলে তা কিন্তু এই প্যানিক অ্যাটাকের জন্ম দেয়। আর তার থেকে বুকে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। এর সঙ্গেই হতে পারে বমি, ঘাম আর বুক ধড়ফড়।

১৪। পেরিকার্ডিটিস

আপনার বুকের চারপাশ জুড়ে যখন একটা চিনচিনে ব্যথা হয়, তখন তাকে ডাক্তারি ভাষায় বলে পেরিকার্ডিটিস। আর এই ব্যথা তখনই খুব বাড়ে যখন আপনি শ্বাস নিতে যাবেন বা শুতে যাবেন।

১৫। নিউমোনিয়া

দেখে ঘাবড়ে যাবেন না। নিউমোনিয়াও কিন্তু খুব আপনার বুকের ব্যথার কারণ হতে পারে। যদি আপনি দীর্ঘ দিন ধরে নিউমোনিয়ায় ভোগেন, তাহলে তার থেকে বুকে ব্যথা হতে পারে। সঙ্গে থাকে কাশি আর জ্বর। এই কাশির সময়ে কাশতে গেলে বুকের ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।


বুকে ব্যথার কারণ তো বললাম। এবার তার থেকে মুক্তি তো পেতে হবে। আর আপনি ভাবছেন মুক্তি মানেই ওষুধ। কিন্তু আমরা আজ বলব কীভাবে ওষুধ ছাড়াই আপনি ১০ মিনিটের মধ্যে বুকে ব্যথা কমিয়ে নেবেন।

১। বরফের ব্যবহার

বরফের ব্যবহার বুকের ব্যথার অন্যতম কারণ হল পেশির জমাট বেঁধে আসা। এর ফলে অনেক সময়ে ব্লকেজ তৈরি হয়। কিন্তু এই ব্লকেজ ওষুধ ছাড়াও কমানো সম্ভব। শুধু আপনি বরফের ব্যবহার করুন। একটি কাপড়ে বরফ নিয়ে বুকের চারপাশে বোলাতে শুরু করুন। দেখবেন এতে ব্যথা কমে যাবে।

২। কিছু পানীয় ব্যবহার করুন

বুকে ব্যথা হলে হালকা কিছু পানীয় গরম করে খান। সেটা হতে পারে শুধু জল। কারণ এই উষ্ণ পানীয় কোনও রকম গ্যাসের সমস্যা হলে তা সঙ্গে সঙ্গে কমিয়ে দেয়। আর ঘরে রাখতে পারেন হিবিস্কাস চা। এটি কিন্তু কোনও রকম জমাট বাঁধা থেকে রেহাই দেয়। তাই বুকে ব্যথা হলে গরম হিবিস্কাস টি খেতে পারেন।

৩। বেকিং সোডার ব্যবহার

যদি আপনার পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরি হয়ে থাকে আর তার থেকে কোনও ভাবে ব্যথা হয়, তাহলে আপনি বেকিং সোডা ব্যবহার করুন। ঠাণ্ডা বা গরম জলে বেকিং সোডা গুলে খেয়ে নিন। এটি সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

৪। রসুন ব্যবহার করুন

রসুন ব্যবহার করুন বলা হয় রসুন নাকি বুকে ব্যথার ক্ষেত্রে দারুণ কাজ দেয়। এক্ষেত্রে আপনি খানিক রসুন আর লবঙ্গ থেঁত করে গরম জলে মিশিয়ে খান। আর যদি পারেন তাহলে রসুন চিবিয়েও খেতে পারেন। এটা বুকে ব্যথা হওয়ার সময়ে ট্রাই করে দেখুন।

আপনি এইগুলো যদি সঙ্গে সঙ্গে করতে পারেন বুকে ব্যথার সময়ে তাহলে দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার ব্যাথা কমতে শুরু করবে। এবং আপনি এভাবে যখন ব্যাথা হবে তখনই এই নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করবেন, দেখবেন ব্যাথা কমে গেছে।

0 টি ভোট
করেছেন (173 পয়েন্ট)

কসটোকনড্রাইটিস (পাঁজরে ব্যথা) কি?

মানুষের বক্ষাস্থি বা উরঃফলকের সঙ্গে যে তরুণাস্থি জোড়া থাকে, তার প্রদাহকে কসটোকনড্রাইটিস বলে। বুকের শেষ দু’জোড়া পাঁজর ছাড়া, বাকি সবকটি পাঁজরই তরুনাস্থি দ্বারা এই বক্ষাস্থির সাথে যুক্ত থাকে। বক্ষাস্থির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা এই প্রদাহের জন্যে বুকে ব্যথা হয়, যা কসটোকনড্রাইটিসের প্রধান উপসর্গ।

কসটোকনড্রাইটিস এইসব নামেও পরিচিতঃ

  • কসটো-স্টার্নাল সিনড্রোম
  • প্যারাস্টার্নাল কন্ড্রোডাইনিয়া
  • অ্যান্টিরিয়র চেস্ট ওয়াল সিনড্রোম

এর প্রধান লক্ষণগুলি কিকি ?

গুরুত্বপূর্ণ লক্ষনগুলির মধ্যে ব্যথার সাথে সাথে আর যা যা দেখা যায়ঃ

  • সাধারণতঃ উরঃফলকের বামদিকে ব্যথা করে
  • ব্যথার অনুভূতি তীক্ষ ও যন্ত্রণাদায়ক হকে পারে
  • রোগী বুকে চাপ অনুভবও করতে পারেন
  • জোরে জোরে নিশ্বাস নেওয়া, কাশি, হাঁপানি আর শরীরের উপরি ভাগের নড়াচড়াতেও ব্যথা বাড়তে পারে
  • একাধিক পাঁজর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে

এই রোগের প্রধান কারণ গুলি হলঃ

অ্যান্টিরিয়র চেস্ট ওয়াল বা বুকের ভেতরের দেওয়ালে ব্যথা হওয়ার প্রধান কারণ হলো কসটোকনড্রাইটিস। এর তেমন কোনও লুকোনো কারণ থাকে না। যেসব পাঁজরগুলি তরুণাস্থি দিয়ে বক্ষাস্থির সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাতে প্রদাহ হলে, তা কসটোকনড্রাইটিসে রূপ নেয়।

সাধারণ কারণগুলি হলোঃ

  • বুকে চোট বা আঘাত
  • মাত্রাতিরিক্ত শরীর চর্চা করা কিংবা বহুদিন ধরে কাশিতে ভোগা
  • বাতের রোগ সংক্রান্ত
  • যেসব রোগে পাঁজরসন্ধি প্রভাবিত হয়, যেমন - টিউবারকুলোসিস এবং সিফিলিস
  • ফুসফুস, স্তন, বা থাইরয়েড ক্যান্সার মেটাস্ট্যাটিক দশায় চলে গিয়ে যদি উরঃফলক সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

কসটোকনড্রাইটিস এর সাথে টিয়েটজে’স সিনড্রোমের যোগা রয়েছে, এই ধরনের সমস্যায় দেহের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফুলে গিয়ে ব্যথা করে।

40 বছরের ওপরে যাদের বয়স, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই এতে বেশি ভোগেন।

এর রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা কিভাবে করা হয়?

এই রোগ রোগীর চিকিৎসাজনিত ইতিহাস আর তাঁর পাঁজর এলাকার পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারণ করা হয়। আপনি আগে অতিরিক্ত শরীরচর্চা করতেন কিনা বা দীর্ঘদিন কাশিতে ভুগেছিলেন কিনা ইত্যাদি আপনার চিকিৎসক জিজ্ঞেস করতে পারেন। অ্যান্টিরিয়র চেস্ট এক্স-রে করানোj দরকার হতে পারে অন্তর্নিহিত কোনও কারণ খুঁজে বের করার জন্য, যেমনঃ

  • ঘাড়ের সন্ধিগুলিতে বা বুকের আশেপাশের হাড়ের সন্ধিগুলিতে বাত আছে কিনা
  • উরঃফলক সংলগ্ন তরুনাস্থি সংক্রমণ অথবা কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে নষ্ট হয়ে গেলে.
  • ফাইব্রোমায়ালজিয়া
  • বক্ষপিঞ্জরে হার্পিস জোস্টার সংক্রমণ

কসটোকনড্রাইটিসের চিকিৎসায় অন্তর্ভুক্ত

  • বেদনা ও প্রদাহরোধী ওষুধ
  • গুরুতর সমস্যায় যদি প্রয়োজন পড়ে লোকাল অ্যানেস্থেটিক বা স্টেরোয়েড ইঞ্জেকশনের ব্যবহার
  • চিকিৎসক হালকা স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে বলতে পারেন

নিজের যত্ন কিভাবে নেবেনঃ

  • ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক নেওয়া।
  • কঠোর পরিশ্রম হয় এমন কাজকর্ম না করা বা চাপ না নেওয়া।

1,383 টি প্রশ্ন

1,347 টি উত্তর

226 টি মন্তব্য

416 জন সদস্য

ইপ্রশ্ন ডটকম হল মাতৃভাষায় সহজে সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন মাধ্যম। যেখানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের কৌতুহল মূলক অজানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর খুজে পাওয়ার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে, নির্বিশেষে সহজে সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলায় দৃড় অঙ্গীকার বদ্ধ।

    এই মাসে এখনও কেও সেরা হিসেবে নির্ধারণ হয়নি ।

    4 জন অনলাইনে আছেন
    0 জন সদস্য 4 জন অতিথি
    আজকের মোট ভিজিটর : 1273 জন
    গত কালকের মোট ভিজিটর : 2683 জন
    মোট ভিজিটর : 303540 জন
    ইপ্রশ্ন - তে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন, উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তরে কোনভাবেই ইপ্রশ্ন এর হস্তক্ষেপ নাই।
    ...